• ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ০২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Panchayat Election 2023

রাজ্য

হিংসা ছড়াচ্ছে ও কন্ট্রোল রুমে বসে যে রাজনীতিকরা রিমোট চালাচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ: রাজ্যপাল

পঞ্চায়েত ভোটে মারাত্মক হিংসা র বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তখনও ভর্ৎসনা করেছিলেন কমিশনারকে। রাজীব সিনহার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যপাল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন সরজমিনে ঘুরে পরিস্থিতি যাচাই করেছেন। দিল্লি থেকে কলকাতা ফিরে গণনার দিনও একই রুটিন ছিল রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের। তারপরই বাংলার ভোটে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে মূল দুটি বিষয়ের বিরুদ্ধে ধর ডাক দিলেন রাজ্যপাল।কী বলেছেন রাজ্যপাল?রাজভবনে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সিভি আনন্দ বোস। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে ভোট হল বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই। ভোটকে কেন্দ্র করে হিংসা বা ঘৃণা তৈরি হওয়া ঠিক নয়। এখন আমাদের ভেদাভেদ ভুলে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। নির্বাচন ব্যালটে লড়া উচিত, বুলেটে নয়। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার নামই গণতন্ত্র। যে পিছিয়ে পড়বে তাকেও হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে আসতে হবে। আমরা এসঙ্গে সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবই। যেমন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বলেছিলেন, আমরা করব জয় নিশ্চয়।পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলিকে রাজ্যপালের পরামর্শ, রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে বাংলার সমস্ত রাজনৈতিক দলের এই মুহূর্তে ২টি লক্ষ্যে কাজ করা উচিত। প্রথমত, দুটি মূল শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে হবে তাদের। সেগুলি হল হিংসা ও দুর্নীতি। আমরা এই নির্বাচন থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমার বিশ্বাস এর পর হিংসা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধ শুরু হবে।ভোটে হিংসার বিরুদ্ধে এদিন সকালে রাজ্যপাল বলেছিলেন, যারা হিংসা ছড়াচ্ছে এবং কন্ট্রোল রুমে বসে যে রাজনীতিকরা রিমোট চালিয়ে এই হিংসায় উস্কানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। অল-আউট অ্যাকশন নেওয়া হবে। প্রশাসন কড়া হাতে এই হিংসা প্রতিহত করবে।প্রতিটি সন্ন্যাসীর অতীত রয়েছে, প্রতি পাপীর ভবিষ্যৎ রয়েছে। আজ যারা বাজে কাজ করছেন, ভবিষ্যতে তারাই ভালো কাজ করতে পারেন। আজকের হিংসা ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য নেতিবাচক। তবে আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বাংলাকে নিরাপদ জায়গায় পরিণত করে তুলব।

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

মঙ্গলবার ভোটগণনা, তার আগেই ভয়ঙ্কর অভিযোগে এনআইএ-র জালে বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী

বীরভূমের নলহাটি থেকে এনআইএর হাতে গ্রেফতার মনোজ ঘোষ নামে এক অস্ত্র ব্যবসায়ী। অভিযোগ, ওড়িশা ঝাড়খন্ড অন্ধ্রে মাওবাদী ও নকশালদের আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ করত ধৃত মনোজ ঘোষ। সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের পুলিশ ধৃত এক নকশালবাদী নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মনোজের হদিস পায়। সেইমতো গত ২৮ শে জুন এন আই এ মনোজের বাড়িতে হানা দিয়ে বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরক, ডিটোনেটার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করে। সেই সময় মনোজ পলাতক ছিল।গত ৭ জুলাই সে গ্রামে ফেরে। সেই খবর যায় এন আই এর কাছে। রবিবার রাতে তাকে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে এনআইএ। ধৃত মনোজ ঘোষ এবারে নলহাটিতে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন। মনোজের নামে পাথর ও কয়লা খাদান আছে বেশ কয়েকটি। যেগুলির সব কটাই অবৈধ ও বেআইনী। এগুলোর লাইসেন্সও নকল।

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

পঞ্চায়েত নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক হিংসা, দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল!!

রাজ্যের বেহাল পরিস্থিতির কথা জানাতে এবার দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পঞ্চায়েত নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক হিংসা হয়েছে। তা নিয়ে রাজ্যপালকে প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। জবাবে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছিলেন যে তিনি একজন রাজ্যপালের যা কর্তব্য সেটা করবেন। আর তারপরেই জানা গেল তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন রাজ্যপাল। তারফলে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি রাজ্যপাল তাঁর কর্তব্য করতেই দিল্লি যাচ্ছেন? তিনি কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্টে দেবেন? রিপোর্ট দেওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল।এবারের পঞ্চায়েত ভোটের হিংসা রুখতে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস গোড়া থেকেই ছিলেন সক্রিয়। বিরোধীদের মুখ থেকে হিংসার আশঙ্কার কথা তিনি শুনেছেন। পাশাপাশি, রাজ্যে পঞ্চায়েতের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক খুনের ঘটনাও খতিয়ে দেখেছেন। বিরোধীদের বিরোধিতা সত্ত্বেও রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন একদিনে করা হয়েছে। তারপরই রাজ্যের নির্বাচন কমিশনারকে তিনি কড়া কথায় সমালোচনা করেছেন। বলেছেন, রাজীব সিনহাকে নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ করে তিনি হতাশ হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনার যেন নিরাপত্তার উপযুক্ত ব্যবস্থা করেন, সেই নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েত ভোটের দিন শনিবার রাজ্যপাল নিজে হিংসার খবর পেয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখতে বের হয়েছিলেন। যার তীব্র বিরোধিতা করেছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপাল বলেছিলেন যে, ভোট বুলেটে নয়। ব্যালটে হওয়া উচিত। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত অন্যান্যবারের মত এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনও রক্তাক্ত অবস্থায় শেষ হয়েছে। নির্বাচনে ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সব মিলিয়ে পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৩৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ব্যালট বাক্স লুঠ হয়েছে। ভোটকর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও বহু আহত চিকিৎসাধীন। এরপর রবিবার বিকেলে রাজ্যপালের দিল্লি যাওয়ার কথা জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজনীতি

বিজেপি থাকলে দেশ জলাঞ্জলিতে যাবে, অভিষেক

বিজেপি ভাইরাস। তৃণমূল কংগ্রেস ভাইরাসের ভ্যাকসিন। বিজেপি দলের প্রধানমন্ত্রী বড় ঢপ মারছে আর সেই দলেরই এই রাজ্যের বিরোধী নেতা সুকান্ত ও শুভেন্দু ছোট ঢপ মারছে। এই বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করতে না পারলে বাংলা সহ গোটা দেশের ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলি দিতে হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কালনা বৈদ্যপুরে অনুষ্ঠিত জনসভা থেকে এই ভাষাতেই কেন্দ্রের সরকার ও বিজেপিকে তুলো ধনা করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড হ্যান্ড কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি রাজ্যের পাওনা আদায়ের জন্য এদিনের সভাবঞ্চ থেকেই অভিষেক দিল্লি চলো এই ডাকও দিলেন।কালনায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাম ও কংগ্রেসকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখেননি। তবে তাঁর নিশানায় আগা গোড়াই ছিল কেন্দ্রের সরকার ও বিজেপি। অভিষেক বলেন, প্রায় দুআড়াই বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ এই রাজ্যের বিজেপি নেতারা মিলে বাংলার পাওনা ন্যায্য টাকা আটকে রেখে দিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৭ লক্ষ ৮২ হাজার জন মানুষের একশ দিনের কাজের টাকা ওরা আটকে রেখেছে।৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন এর জবাব বাংলার মানুষকে দিতে হবে। সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ আসনে জয়ী করতে হবে তৃণমূলের প্রার্থীদের। ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মানুষ তৃণমূলকে জিতিয়েছিল বলেই লক্ষীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী ও রূপসী প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন বলে অঅভিষেক সভায় উপস্থিত সবাইকে স্নরণ করিয়ে দেন।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েত ভোটে এবার নয়া ইস্যু 'ছাতা ধর' রাজনীতি

ছাতা এবার রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রবিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ একটি ছবি টুইট করে বলেন যে, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুইয়ের মাথায় ছাতা ধরে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুদিন আগে অন্ডালের একটি নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই। সেখানে দেখা যায় যে বিধায়কের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, তিনি ছাতা ধরে রয়েছেন বিধায়কের মাথায়। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে কাঁকসায় তৃণমূলের একটি সভায় শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায়ের মাথায় পুলিশের ছাতা ধরার টুইট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার পাল্টা টুইট কুনালের। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক লক্ষন ঘড়ূইয়ের পাল্টা কটাক্ষ, ওর কথায় কি উত্তর দেব, সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা আসামী। পাশাপাশি তিনি বলেন আমি বিধায়ক, আমাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমার নিরাপত্তা রক্ষীর। কিন্তু কে প্রভাত চ্যাটার্জী? প্রশ্ন তোলেন তিনি

জুলাই ০৩, ২০২৩
রাজ্য

বিদেশে থেকে পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন দাখিল, আদালতের চাপে বাতিল কমিশনের

বিদেশে গেলেও মন পড়েছিল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে। হঠাৎ ভোট ঘোষণা করে মনোনয়ন পত্র দাখিলের চটজলদি তারিখও ঘোষণা করে দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আরবে বসে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্য মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মহিরুদ্দিন গাজি। সেই মনোনয়ন নিয়ে আদালতে মামলাও হয়। শেষমেশ বৃহস্পতিবার মহিরুদ্দিন গাজির মনোনয়ন বাতিল করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আরবে মক্কায় বসে কীভাবে মিনাখাঁর বিডিও অফিসে মনোয়ন জমা দিলেন মহিরুদ্দিন গাজি? এই প্রশ্নই তুলেছিল বিরোধীরা। প্রার্থী পদ বাতিলের আবেদন জানিয়ে আদালতে মামলাও হয়। এই নিয়ে আদালতে কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। ওই মামলায় নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করেছিল আদালত।জবাবে আদলতকে কমিশন জানিয়েছিল যে, মনোনয়নে প্রস্তাবককে দিয়ে সম্মতি পাঠানো বিধি সম্মত হলেও, হলফনামায় সই প্রার্থীকেই নিজে এসে করতে হয়। কিন্তু তা হয়নি। কারণ, প্রার্থীর সই ১০ জুন করা হয়েছিল। আর প্রার্থী হজ করতে বিদেশে গিয়েছিলেন ৪ঠা জুন।

জুন ২৯, ২০২৩
রাজনীতি

৩ মাসের মধ্যে পতন হবে মমতা সরকারের, হুঙ্কার শুভেন্দুর

তিন মাসের মধ্যে মমতা সরকারের পতন হবে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আগামী লোকসভায় এরাজ্যে বিজেপি কত আসন পাবে সেই ঘোষণাও করেছেন শুভেন্দু। বিজেপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা অমিত শাহর লক্ষ্যকে ছাপিয়ে গেলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।গত এপ্রিলে বীরভূমের শিউড়িতে সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামী লোকসভার জন্য বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে জয়ী আসনের টার্গেট বেঁধে দেন। তাঁর দাবি ছিল, লোকসভায় বাংলা থেকে বিজেপিকে ৩৫টি আসন দিন, দেখবেন ২০২৬-এর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পড়ে গিয়েছে।মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির ক্রান্তির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন হল সেমি ফাইনাল। ফাইনাল হবে চব্বিশে। আর সেখানে দেশ থেকে বিজেপির বিদায়ঘণ্টা বাজবে। বিজেপির আয়ু আর ছমাস।বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারসভা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি উত্থাপন করেন। সেই প্রসঙ্গেই খানিকটা চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন উনি বলেছেন, পঞ্চায়েত সেমিফাইনাল। আমি বলছি সেমিফাইনাল নয়। পঞ্চায়েত হল কোয়ার্টার ফাইনাল। সেমিফাইনাল হবে চব্বিশে। উনিশে ১৮টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। এবার ৩৬টি পাব। তারপর তিন মাসের মধ্যে বাংলায় সরকার পড়ে যাবে। অর্থাৎ শাহ যা লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন এ রাজ্য থেকে লোকসভা ভোটে তার থেকেও বেশি আসন জিততে মরিয়া বিরোধী দলনেতা।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, শুভেন্দু একটা বদ্ধ উন্মাদ। মাঝেমাঝেই একটা করে তারিখ বলে, সংখ্যা বলে, তারপর আবার চুপসে যায়। বিজেপির বাকি লোকেরাও ওঁর কথা বিশ্বাস করে না।

জুন ২৮, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে অন্তর্কলহ: মনোরঞ্জন, করিমের পর এবার বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক

মনোরঞ্জন ব্যাপারী, আব্দুল করিম চৌধুরীর পর এবার বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। মুখ খুললেন শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। এবার পঞ্চায়েতের প্রচার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। বিধায়ক বলেন, এবার যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়।পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। একাধিক জায়গায় তৃণমূলের অন্তর্কলহ সামনে চলে এসেছে। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় একাধিক দাপুটে নেতা মুখ খুলেছেন দলের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন মগরাহাটের গিয়াসউদ্দিন মোল্লা।তাঁর কথায়, আমি ৪৯ হাজার ভোটে জিতেছি। কিন্তু এবার প্রার্থী হয়েছে ৫০-৫০। অর্থাৎ তাঁর প্রার্থী ৫০ শতাংশ। বাকি অন্যদের। গিয়াসউদ্দিন সাফ জানিয়েছে, এই প্রার্থীদের হয়ে তিনি প্রচার করতে পারবেন না।অভিমানের সুরে গিয়াসউদ্দিন বলেন, আমার উপর হয়তো দল আর ভরসা করতে পারছে না। আমি তালিকা দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম সেখান থেকে ৫০ শতাংশ প্রার্থী। বাকি ৫০ শতাংশের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। মগরাহাট ১-নম্বরে ব্লকের তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মানবেন্দ্র মণ্ডলকে নিশানা করেছেন তিনি। বিধায়কের দাবি, বাকি ৫০ শতাংশ প্রার্থী তাঁর। যাঁদের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। যদিও বিধায়কের দাবি মানতে নারাজ মানবেন্দ্র। তাঁর কথায়, দল যাকে ঠিক মনে করেছে তাঁকে প্রার্থী করেছেন। উনি অবসাদে ভুগছেন।

জুন ২৩, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে গুঁতো রাজ্যপাল-আদালতের, কি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কমিশনার পদে রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করেননি সি ভি আনন্দ বোস। ফলে ওই পদে আর রাজীব সিনহার কার্যকরিতা রয়েছে কিনা তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন ওঠে। কমিশনার রাজীব সিনহার পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাটনায় বিজেপি বিরোধী জোটের বৈঠকে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিক বৈঠকে ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে তোপ দাগলেন মমতা।রাজ্যপালের কড়া পদক্ষেপের পর কী পদ থেকে সরে যেতে হবে রাজীব সিনহাকে? জবাবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জয়েনিং রিপোর্ট ফেরতের খবর নেই। এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি, এটা অভূতপূর্ব ঘটনা। এটা একটা সাংবিধানিক পদ। তাঁকে শপথ নিতে হয়। উনি ফাইল ক্লিয়ার করেছিলেন। সবকিছু এত সহজ নয়। রাজ্যপালই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহাকে নিয়োগ করেছিলেন। কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। কমিশনারকে সরাতে হলে বিচারপতিদের ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।ফের এক হাত নেন বিজেপিকে। বিজেপি বাংলাকে যতই বঞ্চনা করবে ততই জবাব দেওয়ার জন্য মানুষ তৈরি। কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে হেনস্থার চেষ্টা করলে তার ফল পাবে। এদিন সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহাকে মন্ত্রিসভার সুপারিশক্রমেই নিয়োগ করেছিলাম। ভেবেছিলাম উনি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পঞ্চায়েত ভোট করাতে পারবেন। কমিশনারের নিরপেক্ষ হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ওনার কাজে বাংলার মানুষ হতাশ।ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তির জেরে ৮ জনের প্রাণ গিয়েছে। বহু মানুষ জখম হয়েছে। কোথাও বিডিও অফিসের পাশে বোমা, গুলি চলেছে। তবে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এত শান্তির মধ্যে মনোনয়ন জীবনে কোনও দিনও হয়নি। ত্রিপুরার ৯৬ শতাংশ সিটে ইলেকশন হয় না। কনটেস্ট করতে দেওয়া হয় না। ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার নমিনেশন হয়েছে। ৭১ হাজার বুথের মাত্র চারটে বুথে গণ্ডগোল হয়েছে। তার মধ্যে একটি বুথে আমাদের দুজনকে মার্ডার করেছে। এদিন তিনি বলেন, ভোটটা দেবে মানুষ। যত এরা অ্যাগ্রেসিভ হচ্ছে রাজনৈতিকভাবে না পেরে বিভিন্ন এজেন্সিকে দিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে। এর জবাব দেওয়ার জন্য মানুষ তৈরি। আমরা লড়ে নেব এবং জিতে নেব। যেদিন থেকে আমরা জিতে এসেছি সেদিন থেকে একশো দিনের টাকা দেয় না, বাংলার বাড়ির টাকা দেয় না।

জুন ২২, ২০২৩
রাজ্য

পঞ্চায়েত নির্বাচনে কড়া ব্যবস্থার আশ্বাস রাজ্যপালের

সময় মত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন কথা নয় কাজ হবে এবার। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা প্রসঙ্গে কলকাতা বিমানবন্দরের প্রতিক্রিয়া দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। কলকাতা বিমানবন্দরে গতকালের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এদিন রাত আটটা নাগাদ দিল্লী থেকে ফিরে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরের দ্বিতীয় টার্মিনালে আসেন। ডিপারচার লেভেলের থ্রি সি গেটের কাছে যে জায়গায় আগুন লেগেছিল সেই জায়গা তিনি পরিদর্শন করেন। অন্যদিকে গতকালের অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বিমানবন্দরের অগ্নি নির্বাপন দপ্তরের কর্মীদের প্রশংসা করে বলেন, সঠিক সময়ে সঠিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দ্রুত আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে এবং কোন রকমের বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। কোনও প্রাণহানি হয়নি। একটি নিছক দুর্ঘটনা নয় মানুষের গাফিলতি থাকতে পারে।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজ্য

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন জানাবে কমিশন, কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

বিরোধীরা প্রথম থেকেই দাবি করে আসছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট করানোর। বৃহস্পতিবার দুপুরে কড়া সুরে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আর এদিন বিকেলেই সেই ইঙ্গিতের বাস্তবায়ণ হল। শুধু স্পর্শকাতর জেলা নয়, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে সব জেলাতেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা। এর আগে বহিনী সংক্রান্ত নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্যই আদালতে আর্জি জানিয়েছিল কমিশন। সেই মামলার নির্দেশেই জোর ধাক্কা খেল রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার।প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম কমিশনের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিতকরণে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাতে কমিশন পদক্ষেপ করেনি। অবাধ মনোনয়ন প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতেও কমিশনের ভূমিকা দৃঢ় নয়। এরপরই পঞ্চায়েত ভোটে সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়।কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানাতে হবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন জানাবে কমিশন। তৎক্ষণাৎ বাহিনী দিতে হবে কেন্দ্রকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর খরচ বহন করবে কেন্দ্র।এদিনের হাইকোর্টের বাহিনী নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, তৃণমূল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভয় পায় না। বাহিনীর সুরক্ষা সত্ত্বেও ভোটে তৃণমূলই জিতবে। কিন্তু নীতিগত প্রশ্নে এই নির্দেশের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। অন্য রাজ্যে তো স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাচন সেই রাজ্যের পুলিশ দিয়েই হয়। তাহলে বাংলার ক্ষেত্রে আলদা নিয়ম কেন? বিরোধী দলগুলো পরিকল্পিতভাবে অশান্তি পাকিয়ে আদালতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে বলেও এদিন দাবি করেছেন কুণাল।পঞ্চায়েত ভোট রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করানোর দাবি নিয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। সেই মামলায় কমিশনকে স্পর্শকাতর জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বাহিনী সংক্রান্ত সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য ফের আদালতে আর্জি জানায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যেই মনোনয়ন ঘিরে হিংসায় জর্জরিত হয় বাংলা। পুলিশ কার্যত নীরব দর্শক ছিল। এসবের মধ্যেও স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করতে পারেনি কমিশন। আর কমিশনের এই ভূমিকাতেই ক্ষুব্ধ ছিলেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে কমিশনের আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, এবার কী তাহলে গোটা রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের নির্দেশ দিয়ে দেব? এর মধ্যেই মনোনয়নে হিংসায় নিহত হয়েছেন চার জন। শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষের সওয়াল শুনে রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট করানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজনীতি

কমিশনে গিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজে হাতে ব্যারিকেডের দড়ি খুললেন বিরোধী শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে বেনজির দৃশ্য দেখা গেল। যেসব প্রার্থী মনোনয়ন জমা করতে পারেননি তাঁদের নিয়ে কমিশনের দফতরের সামনে হাজির হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেই সময় হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এরপরই কলকাতায় কমিশন দফতরেরর সামনে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের দফতরে বিজেপি নেতা-কর্মীরা যাতে ঢুকতে না পারে তার জন্য পুলিশ আগে থেকেই ব্যারিকেড করে রেখেছিল। প্রথমে সেই ব্যারিকেড নিজে হাতে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে ব্যারিকেডের দড়ি খুলে দেন নিজে হাতে।এরপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে কমিশন দফতরে ঢোকেন কথা বলতে। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্য বলে কটাক্ষ করেন। শুধু তাই নয়, কমিশন তৃণমূলকে সুবিধা করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও রোজ কীভাবে রক্ত ঝরছে? প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল, কমিশন এবং পুলিশ মিলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মনোনয়ন জমা দিতে দিচ্ছে না। ২০ হাজর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই এদের লক্ষ্য।একটা সময় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। কমিশনের দফতরের সামনেই জয় শ্রী রাম স্লোগান চলতে থাকে। রাজ্য পুলিশের উদ্দেশে হায় হায় ধ্বনি দেওয়া হয়। শুভেন্দুর দাবি, আদালত স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্পর্শকাতর এলাকা বলে কিছু রয়েছে, তা মানতেই চাইছে না কমিশন। হাইকোর্ট অভিযোগ জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেও, কমিশনে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই।শুভেন্দুর দাবি, যাঁর মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি, কমিশনের দফতরেই তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে। আশান্তি রুখতে ও মনোনয়নে অশান্তি থামাতে কমিশন পদক্ষেপ না করলে বৃহস্পতিবার থেকে কমিশন দফতরের সামনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও তাঁর মুখে নো ভোট টু মমতা সুর শোনা যায় নির্বাচন ল কমিশনের দফতরে। মমতাকে ভোট লুঠ না করতে দেওয়াই তাঁর চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করেন তিনি।

জুন ১৪, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা, শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া! তিন দিন পরেই ভারত-পাকিস্তান মহারণ

২০২৭ সালের পুরুষদের এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়ায় বসবে এবারের ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ। প্রতিযোগিতা শুরু হবে ২ অক্টোবর এবং ফাইনাল হবে ২১ নভেম্বর। মোট ১৪টি দলকে নিয়ে হবে ৫৭টি ম্যাচ।এবারের বিশ্বকাপের শুরুটাই হবে অন্য রকম। ১৪টি দলের মধ্যে তিনটি দলকে নিয়ে প্রথমে হবে একটি বিশেষ সুপার সিরিজ। সেই পর্বের তিনটি ম্যাচ হবে ২, ৪ এবং ৬ অক্টোবর নামিবিয়ার উইন্ডহোকে। এই পর্বের শীর্ষে থাকা দল মূল গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেবে।এর পর ১২টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল। ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, জিম্বাবোয়ে এবং একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল। অন্য গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং আরও একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল।ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ৭ অক্টোবর। প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। ম্যাচটি হবে কেপটাউনে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালের পর আবারও বড় মঞ্চে মুখোমুখি হবে দুই দল।তার পরেই ক্রিকেটপ্রেমীদের বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। অর্থাৎ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শুরু হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান মহারণ।ভারতের তৃতীয় ম্যাচ ১৪ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচ হবে ত্শোয়ানে। এরপর ১৭ অক্টোবর যোগ্যতা অর্জনকারী একটি দলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। গ্রুপ পর্বে ভারতের শেষ ম্যাচ ২৪ অক্টোবর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচটি হবে ভিক্টোরিয়া ফলসে।এবারের প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি হল নতুন ফরম্যাট। গত কয়েকটি বিশ্বকাপের মতো সরাসরি একটি দীর্ঘ গ্রুপ পর্বের পর সেমিফাইনালে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে না। প্রথমে হবে তিন দলের সুপার সিরিজ। তার পর ১২ দলের গ্রুপ পর্ব এবং শেষে সাত দলের সুপার সেভেন পর্ব।দুই গ্রুপের প্রথম তিনটি করে দল সরাসরি সুপার সেভেনে যাবে। পাশাপাশি দুই গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে যে দল তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে থাকবে, সেই দলও পরের পর্বে জায়গা পাবে। ফলে গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে।সুপার সেভেনে মোট সাতটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। এই পর্বে গ্রুপ পর্বের কোনও পয়েন্ট বহন করা হবে না। ২৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সুপার সেভেনের ম্যাচগুলি। এই পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার প্রথম চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে।সেমিফাইনাল হবে ১৭ এবং ১৮ নভেম্বর। প্রথম সেমিফাইনাল হবে কেপটাউনে এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ত্শোয়ানে। ২১ নভেম্বর জোহানেসবার্গে হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। প্রয়োজনে ২২ নভেম্বর রাখা হয়েছে ফাইনালের সংরক্ষিত দিন।এবারের বিশ্বকাপ যৌথ ভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়া। মোট ১২টি মাঠে হবে ৫৭টি ম্যাচ। আফ্রিকার মাটিতে ২৪ বছর পর ফিরছে পুরুষদের এক দিনের বিশ্বকাপ।সব মিলিয়ে ভারতের জন্য বিশ্বকাপের শুরুতেই অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তানের মতো বড় প্রতিপক্ষ। তার পর আফগানিস্তান, একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল এবং জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের লড়াই। নতুন ফরম্যাটে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব থাকায় শুরু থেকেই ভারতীয় দলের সামনে বড় পরীক্ষা হতে চলেছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিমানের ককপিটে কেন হামলা? স্মিত মচ্ছরকে ছুরিকাঘাতের নেপথ্যে কী, মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ককপিটের ভিতরে সহ-পাইলট ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। হামলার জেরে বিমানটি আচমকা উচ্চতা হারাতে শুরু করে। পরে যাত্রী ও বিমানের কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। বিমানে থাকা ১৭৪ জন যাত্রী নিরাপদে রক্ষা পান।ঘটনার পর ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরকে সাহসিকতার জন্য প্রশংসা করেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য, গুরুতর আহত অবস্থাতেও স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও বিমানের কর্মীরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেন। এই ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।বৃহস্পতিবার হামলার নেপথ্যের কারণ নিয়ে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত সহ-পাইলট ইসলামপন্থী ও উগ্র মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন। তবে তাঁকে কে বা কারা এই মতাদর্শে প্রভাবিত করেছিল, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই বলেও জানান নেতানিয়াহু। কোনও নির্দিষ্ট সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে অভিযুক্তের যোগ রয়েছে কি না, সেটিও এখনও নিশ্চিত হয়নি।নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্তে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে ইজরায়েল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তকারীরা হামলার আসল কারণ এবং এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা সংগঠিত যোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষও ঘটনার পরিস্থিতি, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদী যোগের বিষয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে।ঘটনার সময় বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বিমানটি অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার ফুটে নেমে যায়। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফেরানো সম্ভব হয় এবং তাবুকে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করা হয়।ঘটনার পর সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে আহত স্মিত মচ্ছরকে তাবুকের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং প্রাথমিক ভাবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে ৯/১১-এর মতো বিমান হামলার তুলনা করেছেন নেতানিয়াহু এবং অন্য কয়েক জন। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্তের মতাদর্শগত যোগ এবং ঘটনার আগে কোনও পরিকল্পনা ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলির চূড়ান্ত উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। তাই হামলাটিকে নির্দিষ্ট কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের পরিকল্পনা হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সরকারি তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে। ঘটনাটির পর ইজরায়েলগামী বিমানের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইজরায়েলে যাতায়াতকারী পাইলটদের পরিচয় ও নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, মাঝ আকাশে ককপিটে হামলার ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা অল্পের জন্য এড়ানো গিয়েছে। ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা হলেও, হামলার আসল উদ্দেশ্য এবং এর পিছনে কারও সংগঠিত ভূমিকা ছিল কি না, তা এখনও তদন্তের বিষয়। তদন্ত শেষ হলেই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি আরও স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসের টাকা কোথায় গেল? ইডির জেরায় ইন্দ্রনীল, মমতার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ পাঠানোর দাবি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তের সূত্র ধরে তাঁর সংস্থা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেনের দাবি সামনে এনেছে ইডি। তবে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য, ওই টাকা রয়্যালটি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। ফলে লেনদেনটির প্রকৃতি নিয়ে তদন্ত চলছে।ইডির দাবি, জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগের আওতায় রয়েছে ম্যাসআর্ট নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুচ্ছন্দা সেন-সহ আরও কয়েক জনের নাম জড়িয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং পাসের নামে কয়েক বছর ধরে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই অর্থের একটি অংশ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।তদন্তকারীদের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকার সরকারি কাজ বা টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল। এই টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইডির বক্তব্য অনুযায়ী, ইন্দ্রনীলের মালিকানাধীন অক্টেভ রেকর্ডস-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকারও বেশি জমা পড়েছিল। পরে ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা পাঠানো হয় বলে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন।ওই ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেন সম্পর্কে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্যও প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো টাকা রয়্যালটি বাবদ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ওই অর্থের উৎস, কারণ এবং পুজোর পাসের টাকা সংক্রান্ত অভিযোগের সঙ্গে এর কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অংশ হয়ে উঠেছে।এর আগে মঙ্গলবার ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় ইডি। তাঁর আত্মীয় ও সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ঠিকানাতেও অভিযান হয়। সিঙ্গুরে তাঁর বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা পৌঁছেছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রায় ১৫টি ঠিকানায় এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।তল্লাশি অভিযানের পর বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন ইন্দ্রনীল সেন। সেখানে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁর বক্তব্য নথিবদ্ধ করেন তদন্তকারীরা। পুজোর পাস, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে টাকার আদানপ্রদান নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইডির তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শোয়ের পাস সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছিল। এই অভিযোগের সত্যতা এবং ওই অর্থের পরবর্তী গতিপথ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং ইডির উত্থাপিত অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এই মামলায় আগামী দিনে আরও কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে তদন্তের গতিপ্রকৃতি থেকে ইঙ্গিত মিলছে। পুজোর পাস থেকে সংগৃহীত অর্থ কোথায় গিয়েছে, সরকারি টেন্ডারের সঙ্গে সেই অর্থের কোনও যোগ রয়েছে কি না এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের প্রকৃতি কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা। এদিকে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো ৩০ লক্ষ টাকা ছিল রয়্যালটি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই লেনদেন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘সবাইকে নিয়ে আসুন, শুধু ব্যাগেজটা বাদ’! মমতাকে অধীরের বার্তা ঘিরে নতুন চর্চা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে ফিরে আসার আহ্বান জানালেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার তাঁর বক্তব্য, মমতা তাঁর সঙ্গে থাকা সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়ে কংগ্রেসে ফিরলে তাঁকে বাংলায় নেতৃত্ব দিতে আপত্তি নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি ব্যাগেজ বাদ দিয়ে আসার কথা বলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই ব্যাগেজ মন্তব্যকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।অধীরের বক্তব্যের আগে অবশ্য বাংলার রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থীকে সরিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন মমতা। পরে দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠকেও তাঁকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা যায়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে কংগ্রেস ও মমতার সম্পর্ক নিয়ে তাই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অধীর বলেন, মমতা তাঁর সমস্ত সাংসদ ও বিধায়ককে নিয়ে কংগ্রেসের ছাতার নিচে এলে তিনি সেই নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের মতো বড় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মমতা বাংলায় নেতৃত্ব দিলে তাঁর আপত্তি নেই। তবে মমতার সঙ্গে থাকা ব্যাগেজ বাদ দেওয়ার শর্তও তিনি উল্লেখ করেন।অধীরের এই বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ সামনে এসেছে। কারণ অতীতে অভিষেক ও অধীরের মধ্যে একাধিক রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা গিয়েছে। যদিও ব্যাগেজ বলতে অধীর নির্দিষ্ট করে কারও নাম করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্যের ওই অংশকে অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে বিভিন্ন মহল।মমতার সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের ইতিহাসও দীর্ঘ। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের আগে মমতা দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে পৃথক দল তৈরি করে তিনি বাংলার রাজনীতিতে নিজের রাজনৈতিক পরিসর তৈরি করেন। এখন আবার কংগ্রেসে ফেরার আহ্বান সামনে আসায় সেই পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।এই পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করেছেন। মিলন প্রধানকে একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় এবং নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সুপ্রিম কোর্টেও ওই জামিনের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের আবেদনের শুনানি হয়েছে।তবে অধীরের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক দলীয় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর প্রকাশ্য রাজনৈতিক প্রস্তাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের তরফে এই প্রস্তাব গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এসেছে কি না, সেটিও আলাদা বিষয়।অধীরের বক্তব্যের পর এখন নজর থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রতিক্রিয়ার দিকে। একই সঙ্গে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এই প্রস্তাব নিয়ে কী অবস্থান নেয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে মমতা-কংগ্রেস সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায় ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘মৃত্যুকামনা করিনি’, শুভেন্দুর আক্রমণের পর সুর বদল হুমায়ুনের! রেজিনগরে তুঙ্গে তরজা

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। হুমায়ুনের কয়েক দিন আগের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বৃহস্পতিবার রেজিনগরের প্রচারসভা থেকে তাঁকে কড়া আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা হুমায়ুন দাবি করেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করেননি এবং তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যু চাননি। তাঁর দাবি, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অত্যাচারের অবসানের কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, যাঁরা একতরফাভাবে অত্যাচার ও জুলুম চালান, তাঁদের পতন ইতিহাসে বার বার দেখা গিয়েছে। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রেও সেই কথা প্রযোজ্য বলে দাবি করেন তিনি।হুমায়ুন আরও দাবি করেন, তাঁর বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অন্য ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যু চাননি। বরং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।এর আগে হুমায়ুনের বক্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য প্রার্থনার কথা উঠে আসে। সেই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের হয়েছিল।বৃহস্পতিবার রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে সেই বিতর্কের প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে মতবিরোধ, তর্ক এবং সমালোচনা থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মৃত্যু কামনা করার মতো ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, হুমায়ুন যে ধরনের মন্তব্য করেছেন, তার বিচার রেজিনগরের মানুষের উপর ছেড়ে দিচ্ছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক লড়াইয়ে শেষ কথা বলবেন ভোটাররাই। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।হুমায়ুন অবশ্য শুভেন্দুর আক্রমণের জবাবে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই পাল্টা অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বললেই অত্যাচারের মুখে পড়তে হয়। নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি অত্যাচারীর পতনের কথা বলেছেন, কোনও ব্যক্তির মৃত্যুকামনা করেননি।রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে দুই নেতার এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এক দিকে শুভেন্দু অধিকারী হুমায়ুনের আগের বক্তব্যকে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, অন্য দিকে হুমায়ুন নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে মৃত্যুকামনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে ভোটের আগে এই বিতর্ক প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক চাপানউতোর ভোটের প্রচারে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

এত বছর চলল নমাজ, এখন নিরাপত্তার প্রশ্ন কেন? বিমানবন্দর মসজিদ মামলায় বড় সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের

কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে একটি মসজিদে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নমাজ পড়ার ব্যবস্থা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু গত ১১ জুলাই থেকে সেখানে নমাজ পড়া বন্ধ রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মামলাকারীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ধর্মাচরণের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানিতে সওয়াল-জবাব হলেও আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ।মামলাকারীর আইনজীবী কিশোর দত্ত আদালতে জানান, বিমানবন্দর সংলগ্ন ওই মসজিদে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে নমাজ পড়া হয়ে আসছে। তাঁর দাবি, এত দীর্ঘ সময়ে সেখানে নমাজ পড়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কোনও সমস্যা হয়নি। তাহলে এখন কেন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে নমাজ বন্ধ করা হল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।আইনজীবীর বক্তব্য, কলকাতা বিমানবন্দরের আট নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে ওই মসজিদে নমাজ পড়তে যেতে হত। বর্তমানে সেই প্রবেশের ব্যবস্থাই বন্ধ রয়েছে। তাঁর দাবি, ওই জমি এখনও অধিগ্রহণ করা হয়নি। তাই একেবারে নমাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।কিশোর দত্ত আদালতে আরও বলেন, ধর্মীয় প্রার্থনা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ম মেনে অন্তত ওই মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই আপাতত নমাজ পড়ার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।এই মসজিদকে ঘিরে নিরাপত্তার প্রশ্ন অবশ্য নতুন নয়। বিমানবন্দর সম্প্রসারণ এবং দ্বিতীয় রানওয়ের সঙ্গে মসজিদের অবস্থান নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়েছে। মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে রয়েছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার নিয়ে আপত্তির কথাও আগে প্রকাশ্যে এসেছে।এর আগে এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, সরকার কাউকে ধর্মপালনে বাধা দিচ্ছে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে তাঁর বক্তব্য ছিল।এখন হাই কোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে। দীর্ঘদিনের ধর্মাচরণের ব্যবস্থা ফের চালু হবে কি না, নাকি বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা পরবর্তী আদালতীয় প্রক্রিয়াতেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণা থেকে আবাস, কৃষি থেকে শিক্ষাশ্রী! শুক্রবার থেকেই ২০ প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন

পুজোর মরসুমের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দিতে শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তিন দিনের বিশেষ সেবা সেতু অভিযান। ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর এই শিবির চলবে। কলকাতার ১৬টি বরো এবং রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক ও পুর এলাকায় এই পরিষেবা শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।এই শিবিরে একাধিক সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, প্রধানমন্ত্রী কিষান ক্রেডিট কার্ড, প্রধানমন্ত্রী কিষান স্বনিধি-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য জানার পাশাপাশি যোগ্য ব্যক্তিরা নতুন করে আবেদনও করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবির চলার কথা। বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। একাধিক ব্যাঙ্কের তরফেও কাউন্টার খোলার ব্যবস্থা থাকবে। ফলে সরকারি প্রকল্পের আবেদন বা পরিষেবা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সাধারণ মানুষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন।কলকাতায় প্রতি দুটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে বিশেষ সহায়তা শিবির খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা নিজেদের কাছাকাছি শিবিরে গিয়ে সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য নিতে এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।এবারের সেবা সেতু অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হল সরকারি প্রকল্পের সুবিধা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অনেকের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় তাঁরা অনেক সময় আবেদন করতে পারেন না। সেই সমস্যা কমাতেই একই জায়গায় বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শিবিরে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে পারে বলে আগেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করতে অনেক মানুষ আসতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি ভিড় সামলানোর দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।কলকাতার প্রতিটি শিবিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য লালবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিন দিনই শিবিরগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের কাউন্টারে যাতে ভিড়ের কারণে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়, সে দিকেও নজর থাকবে প্রশাসনের।সাম্প্রতিক সরকারি কর্মসূচির নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেবা সেতু অভিযান সেবা সংকল্প অভিযান-এর একটি অংশ। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বৃহত্তর কর্মসূচির আওতায় ২ থেকে ৪ অক্টোবর জনকল্যাণমূলক পরিষেবা শিবির আয়োজনের কথা রয়েছে।ফলে সরকারি প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করতে চান বা কোনও প্রকল্পের পরিষেবা নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন, এমন মানুষের জন্য ২ থেকে ৪ অক্টোবরের এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নিজের এলাকার শিবিরের নির্দিষ্ট স্থান ও সময় স্থানীয় প্রশাসন বা সরকারি তথ্যসূত্র থেকে যাচাই করে নিয়ে সেখানে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
দেশ

চার অ্যাকাউন্টে ৮০৪ কোটি, চাওয়া হয়েছিল ব্যবহারের অনুমতি! সুপ্রিম কোর্টে কী হল তৃণমূলের?

তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা বিপুল টাকা ব্যবহার করা নিয়ে ফের আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবিরের চারটি ফ্রিজ করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালানোর অনুমতি চেয়ে করা আবেদন বৃহস্পতিবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। একই সঙ্গে হাই কোর্টকে মামলাটির দ্রুত শুনানি করতে অনুরোধ করেছে শীর্ষ আদালত।চারটি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির টাকা ব্যবহার করার অনুমতি চেয়েছিল মমতা শিবির। দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং সামনে থাকা নির্বাচনী কর্মসূচির জন্য অর্থের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাদের পক্ষের আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন। প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন বলেও তৃণমূল শিবিরের তরফে জানানো হয়েছিল।মমতা শিবিরের হয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতে দাবি করেন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায় দলের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। কর্মীদের বেতন, দফতরের খরচ এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কাজ চালাতে অর্থ প্রয়োজন বলেও তিনি জানান। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনের সময় দলের আরও বেশি খরচ হয়।এর আগে কলকাতা হাই কোর্ট চারটি অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি চালানোর অনুমতি দেয়নি। গত অগস্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, আগের নির্দেশ অনুযায়ী বিশেষ আধিকারিকের মাধ্যমে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে চারটি অ্যাকাউন্ট আলাদা করে চালানোর অনুমতি দিলে আগের নির্দেশই কার্যত অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। তাই ওই পর্যায়ে অতিরিক্ত অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেওয়া হয়নি।বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় মমতা শিবির। কিন্তু বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। আদালত মামলার মূল অভিযোগের সত্যতা বা অ্যাকাউন্টের টাকার চূড়ান্ত অধিকার কার, সেই প্রশ্নেরও নিষ্পত্তি করেনি। বরং কলকাতা হাই কোর্টকে দ্রুত শুনানির অনুরোধ করেছে।এই মামলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কোন পক্ষ দলটির সম্পদ ও ব্যাঙ্কের টাকার উপর অধিকার রাখবে, সেই বৃহত্তর প্রশ্নের নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। সুপ্রিম কোর্টও জানিয়েছে, এই বিরোধের মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত টাকার অধিকার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে, মামলায় সরকারি পক্ষের তরফে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আগের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকটি সংস্থা ও ব্যক্তির কাছ থেকে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা জমা বা স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ এখনও তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। আদালত বৃহস্পতিবার এই অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।এর আগে তিনটি অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে কলকাতা হাই কোর্ট বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা করেছিল। সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে করা আবেদনেও সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি। ফলে বর্তমানে চারটি অ্যাকাউন্টের প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা সরাসরি ব্যবহার করার অনুমতি মমতা শিবির পেল না।তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, তারা মামলার মূল মেরিটে প্রবেশ করছে না। অর্থাৎ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ বেআইনি কি না, কার অধিকার রয়েছে বা তদন্তে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটাএসব প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এই শুনানিতে হয়নি। এখন কলকাতা হাই কোর্টে মূল মামলার দ্রুত শুনানির দিকেই নজর থাকবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal